Category Archives: চোখের যত্ন

গ্রীষ্মের দাবদাহে চোখের যত্ন

গ্রীষ্মের দাবদাহে চোখের যত্ন

বাংলাদেশে অন্যান্য আবহাওয়ার তুলনায় গ্রীষ্মকাল খানিকটা বৈচিত্র্য নিয়ে আবির্ভূত হয়। চারিদিকে ধুলা ময়লা, সূর্যের অতিরিক্ত তাপ ও সূর্যালোক এ আবহাওয়ার চিরায়ত বৈশিষ্ট্য। সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি চোখের রেটিনার জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। কথায় আছে, চোখ মনের কথা বলে। চোখের চারপাশে কালো দাগ থাকলে কথা আর কাজে মিল খুঁজে পাওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। চোখ আপনার সৌন্দর্যের প্রতীক। এ ব্যপারে আপনাকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। নিচে চোখের যত্নের কিছু টিপস দেয়া হলঃ

১- সানগ্লাস ব্যবহার করুন
গ্রীষ্মকালে দিনের বেলা ঘরের বাইরে বের হলে চোখে সানগ্লাস পরিধান করুন। এটা আপনার চোখের লেন্স কে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে রক্ষা করবে। এছাড়াও রাস্তার ধুলাবালি থেকে চোখের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

গ্রীষ্মের দাবদাহে চোখের যত্ন২- নিয়মিত চোখের চেকাপ করিয়ে নিন
শরীরের অন্যান্য অংশের চেকাপ এর থেকে নিয়মিত চোখের চেকাপ করা অত্যন্ত জরুরি। মহিলাদের মধ্যে যেসব সমস্যাগুলো খুব বেশি পরিলক্ষিত হয় সেগুলো হচ্ছে- চোখ শুকিয়ে যাওয়া, গ্লুকোমা এবং রেতিনাপ্যাথি। আপনার বয়স যদি ৩০ এর কাছাকাছি হয় তাহলে এখুনি একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর নিকট যান এবং প্রয়োজনীয় চেকাপগুলো সেরে নিন।

৩- ভারী কাজের সময় আরও বেশি যত্নবান হন
ঘরের গৃহিণী হিসেবে আপনাকে অনেক ভারী কাজ করতে হয়। পরিষ্কারক এর কাজে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ অত্যন্ত সাবধানে ব্যবহার করুন যাতে এগুলো আপনার চোখে পবেশ না করে।

৪- পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন
চোখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে হলে অবশ্যই ভিটামিন সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। তাছাড়াও প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাক সবজি খেতে হবে। এটা আপনার চোখের দৃষ্টিশক্তি পরিষ্কার রাখবে।

৫- প্রসাধনী সামগ্রী ব্যবহারের পূর্বে ভাল ভাবে দেখে নিন
আপনারা যারা সাজগোজ করতে ভালবাসেন তাদের জন্য প্রসাধনী সামগ্রী বিরাট এক আশীর্বাদ। কিন্তু এগুলো ব্যবহার করার পূর্বে অবশ্যই মেয়াদ আছে কিনা এটা দেখে নিন।

৬- গর্ভাবস্থায় চোখের যত্ন নিন
শতকরা ৫০ জন মহিলা গর্ভাবস্থায় ব্লাড সার্কুলেশন ও হরমোনের পরিবর্তনের কারণে চোখের সমস্যার সম্মুখীন হয়। তাই এ সময়টাতে চোখের প্রতি আরও যত্নবান হওয়া উচিৎ।

৭- কম্পিউটারে বিরতিহীন কাজ করা থেকে বিরত থাকুন
কম্পিউটারে কাজ করার ফলে চোখের চারপাশ কালো হয়ে যায়, চোখের জ্যোতি কমে আসে। তাই, একটানা কাজ না করে খানিকক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে কাজ করলে চোখের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

৮- ঘুমানোর পূর্বে মেকআপ মুছে ফেলুন
চোখ শরীরের সব থেকে সংবেদনশীল একটি অংশ। তাই ভারী মেকআপ নিলে ঘুমানোর পূর্বে সেটা অবশ্যই অতি যত্ন সহকারে মুছে ফেলুন।

 

মডেলঃ ভাবনা

ছবিঃ বুলবুল আহমেদ

পার্টি মেকআপঃ সোনালী আভায় চোখের সাজ

পার্টি মেকআপঃ সোনালী আভায় চোখের সাজ

পার্টির কথা শুনলেই  মনের মধ্যে এক ধরনের অন্যরকম উত্তেজনার সৃষ্টি হয় আর সবার আগেই মনে হয় সাজগোজের কথা। কোন ড্রেসটা পড়তে হবে আর তার সাথে মিলিয়ে চোখের সাজতো আছেই। তবে সবাই পার্টিতে একটু ঝলমলে সাজ সাজতেই বেশী পছন্দ করে। এক্ষেত্রে চোখের সাজটা একটু হাইলাইট হলে অন্যান্য সাজ একটু হালকা করে সাজলে অনেক সুন্দর লাগবে। চোখের উপরে একটু সোনালী আভা আপনার সাজকে করে তুলবে আরো আকর্ষনীয় ও সুন্দর। আজকে আমরা এই টিউটোরিয়ালে আলোচনা করব কিভাবে সোনালী ও তামাটে রঙের ছটায় করবেন চোখের পার্টি মেকআপ।

পার্টি মেকআপঃ সোনালী আভায় চোখের সাজএই সাজের জন্য যেসব উপকরন লাগবেঃ তামাটে অথবা উষ্ণ বাদামী আইশ্যাডো, চকচকে সোনালী আইশ্যাডো, সাদা অথবা রুপালী শ্যাডো, আইলাইনার, মাস্কারা, ব্লেন্ডিং ব্রাশ এবং ফাউন্ডেশনার।

পারফেক্ট মেকআপ শুরু হয় ভালো বেস দিয়ে। প্রথমে আপনার মুখ ভালোভাবে ধুয়ে ভালোভাবে ধুয়ে একটু ভালো অয়েল ফ্রী ফাউন্ডেশন লাগিয়ে নিন। কারন বেস ভালো না হলে মেকআপ মুখে ঠিকভাবে বসে না।

প্রথমে আপনার চোখের পাতার ভাজের মধ্যে ছোট লোমোয়ালা ব্রাশ দিয়ে তামাতে অথবা বাদামী আইশ্যাডো একটা লাইন করে লাগিয়ে চোখের ভাজটা ঢেকে নিন।

এবার একটু লম্বা ব্রাশ দিয়ে সোনালী আইশ্যাডো লাগিয়ে নিন। এটি লাগানোর সময় চোখের মাঝখান থেকে যেখানে তামাটে শ্যাডো লাগানো হয়েছে তার নিচের দিকে চোখের পাতা পর্যন্ত লাগিয়ে নিন।

এরপর আবার তামাটে শ্যাডো দিয়ে চোখের ভাজের একটু উপরে ও সোনালী শ্যাডোর সাথে ঘেষে ক্যাট-আই স্টাইল এ লাগিয়ে নিন। একটা নরম ব্রাশ ব্যাবহার করে শ্যাডো গুলো ভালো ভাবে ব্লেন্ড করে নিন।

এরপর আবার তামাটে আইশ্যাডো একটা চিকন ব্রাশ এ লাগিয়ে চোখের নিচের পাতায় ভেতর থেকে বাইরের দিকে লাগিয়ে নিন। চোখের কোনার দিকটা বেশী হাইলাইট করুন।

এরপর চোখের উপরের পাতায় জেল আইলাইনার দিয়ে দাগ টেনে নিন। এবার একটা কাজল দিয়ে চোখের নিচের পাতায় ও উপরের পাতার ভেতর দিকে কাজল দিয়ে চোখ একে নিন। সবশেষে মাস্কারা দিয়ে সাজ সম্পুর্ন করে নিন।

সাজ শেষ হয়ে গেলে অন্য একটা মোটা ব্রাশ এ করে ওই একি রঙের শ্যাডো আপনার গালে হাল্কা করে লাগিয়ে নিন। এরপর আপনার পছন্দের লিপগ্লস লাগিয়ে নিলেই আপনি পার্টির জন্য সম্পুর্ন তৈরী হয়ে যাবেন।

 

ছবিঃ শিশির

চোখের স্বাস্থ্য টিপস

চোখের স্বাস্থ্য টিপস

আপনার চোখ আপনার স্বাস্থ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ. তাদের সুস্থ রাখা এবং আপনি আপনার চোখ সেরা দেখতে পান তা নিশ্চিত করার জন্য আপনি কি করতে পারেন তাঁর জন্য  অনেক কিছু আছে. আপনার সুবর্ণ বছরের মধ্যে সুস্থ চোখ বজায় রাখার জন্য নিম্নোক্ত সহজ ধাপগুলি অনুসরণ করুন.

আপনি আপনার দৃষ্টি বা আপনার চোখ সুস্থ মনে হয় যে এর, কিন্তু একটি ব্যাপক কারন চক্ষু পরীক্ষা হতে পারে। আপনি আপনার চোখের যত্ন ঠিক ভাবে নেন কিনা তখনি বুঝতে পারবেন. এটা সাধারণ দৃষ্টি সমস্যা আছে  কিছু লোক তারা চশমা বা কনট্যাক্ট লেন্স পড়লে সাধা ভালো দেখতে পারে না । উপরন্তু, যেমন গ্লকৌমা, ডায়াবেটিক চক্ষুপীড়া এবং বয়স সংক্রান্ত কিছু চোখের স্বাস্থ্য টিপসসমস্যা পতন হিসাবে রূপ ধারণ করতে পারে। সাধারনত  চোখের রোগ প্রায়ই কোন সতর্কতা সংকেত দিয়ে থাকে।  একটি  চক্ষু পরীক্ষা আপনাকে প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগ সনাক্ত করার জন্য সাহায্য করতে পারে।    আপনার চোখের যত্ন পেশাদার জায়গায় একটি খোলা দরজা একটি অন্ধকার রুমে আরও বেশি আলো দেয় একই ভাবে চোখের লিখুন আরো হালকা করার জন্য সবচেয়ে যে জিনিস কাজে দিবে তা হল আপনার চোখের ড্রপ. এই চোখের পিছনে একটি ভাল চেহারা পেতে হলে এর ক্ষতি বা রোগের কোনো লক্ষণ পরীক্ষা করে বের করতে হবে তাহলে আপনি এর একটি সুফল পাবেন.আপনার চোখের  ইতিহাস সম্পর্কে আপনার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলুন. এটা অনেকের বংশগত যেহেত এটি একটি রোগ এর সম্পর্কে জানা আপনার জন্য জরুরি তাহলে আপনি খুব সহজেই এই রোগ নির্ণয় করতে পারবেন. গাঁজর আপনার চোখের জন্য ভালো কাজ করতে পারে। তাছাড়া আপনি বেশী বেশী করে শাকসবজি খেতে পারেন কারন এতে অনেক ভিটামিন আছে যা চোখের জন্য অনেক গুরত্তপুরন। গবেষণা থেকে জানা যায় উচ্চ মাছ খাওয়া খেলে চোখের জন্য অনেক বেনিফিট আছে ওমেগা-দেখানো হয়েছে যেমন স্যামন, টুনা, এবং হেলিবিত ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। মাত্রাতিরিক্ত ওজন বা মোটা হচ্ছে বা ডায়াবেটিস আছে এই ধরনের রোগীদের চোখের রোগ বা গ্লকৌমা হিসাবে ক্ষতির কারন হতে পারে. যদি আপনার একটি স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে সমস্যা হয়, তাহলে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন.  যখন আপনি খেলাধুলা বা ঘরের ভিতর কোন ভারীমূলক কাজ করবেন তখন আত্মরক্ষার জন্য সানগ্লাস ব্যাবহার করতে হবে এর ফলে আপনার চোখে কোন সমস্যা হবে না। সবচেয়ে প্রতিরক্ষামূলক চোখের লেন্স অন্যান্য প্লাস্টিক তুলনায় ১০ গুণ শক্তিশালি যা পলিকারবনেত দিয়ে তৈরি হয়। ধূমপান যেমন শরীরের জন্য খারাপ তেমনি আপনার চোখের জন্য ও খারাপ। গবেষণা করে দেখা গেছে যে অনেক সময় ধূমপানের কারনে আপনি অন্ধ হয়ে যেতে পারেন। সানগ্লাস একটি মহান ফ্যাশন আনুষঙ্গিক, কিন্তু এটার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে যে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে আপনার চোখ রক্ষা. সানগ্লাস কেনার সময়,অবশ্যই বেশী সন্ধান ব্লক উভয় এই UV-A এবং এই UV-B বিকিরণ ৯৯ থেকে ১০০ শতাংশ খুঁজে বের করা।   আপনি কম্পিউটার বা কোন এক জিনিস এর উপর মনোযোগ নিবদ্ধ করে অনেক সময় ব্যয় করে থাকেন।  আপনি মাঝে মাঝে চোখের পলক ফেলবেন এতে করে আপনার চোখ ক্লান্তি পেতে পারে. ২০ সেকেন্ডের জন্য আপনি প্রায় ২০ ফুট দূরে তাকান, প্রতি ২০ মিনিট পর এইভাবে করার চেষ্টা করুন. এটা চোখের আইএস্ত্রেন কমাতে সাহায্য করতে পারে. এইভাবে করে আপনি আপনার চোখের যত্ন নিতে পারেন এর ফলে আপনার চোখ অন্য সবার থেকে অনেক বেশি সুন্দর দেখাবে।

 

মডেলঃ নিশু

ছবিঃ রিফ্লেকশন মিডিয়া

চোখের যত্ন নিন

চোখের যত্ন নিন

মানুষের শরীরে যতগুলো অঙ্গ প্রত্যঙ্গ আছে তার মধ্যে চোখ অতি মূল্যবান। কারণ, এই চোখের সাহায্যেই আমরা পৃথিবীর সৌন্দর্য অবলোকন করতে পারি। যে অন্ধ সে জানে না পৃথিবীর গভীরতা। আপনার একটু বেখেয়ালিপনাই আপনার জীবনের সব থেকে বড় সর্বনাশের কারণ হতে পারে। সুতরাং, চোখ থাকতে অন্ধ না হয়ে এর প্রতি যত্নবান হওয়া উচিৎ। নিচে চোখের যত্নের ৫ টি পরামর্শ দেয়া হলঃ

চোখের যত্ন নিনপরামর্শ ০১. নিয়মিত চক্ষু ডাক্তারের তত্তাবধানে থাকুন
আপনার চোখের সমস্যা যদি আপনার বংশগত সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে আপনাকে অবশ্যই চোখের রোগ সম্পর্কে জানতে হবে। অর্থাৎ আপনার বংশের কারো কোন চোখের রোগ ছিল কিনা সেটা সম্মন্ধে অবগত হতে হবে। আপনাকে অবশ্যই এ ব্যাপারে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। চোখের নিরাপত্তার জন্য মাঝে মাঝে আপনার পারিবারিক চক্ষু ডাক্তার এর পরামর্শ গ্রহণ করুন।

পরামর্শ ০২. খাদ্য তালিকায় সবুজ শাক-সবজি যুক্ত করুন
আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সবুজ শাক-সব্জি রাখুন। এটা চোখের কোষ কে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সবুজ শাক-সব্জি সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মির হাত থেকে চোখকে সুরক্ষা প্রদান করে।

পরামর্শ ০৩. প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন
নিয়মিত প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন। মাছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন বিদ্যমান। মাছ সুস্থ চোখ এবং সুন্দর দৃষ্টির জন্য সবচেয়ে ভাল খাদ্য। ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার চোখের শুষ্কতা থেকে চোখকে রক্ষা করে। আর এই সমস্যাটি মদ্ধবয়স্কা মহিলাদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়।

পরামর্শ ০৪. কন্টাক্ট লেন্সের জন্য বাড়তি যত্ন নিন
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রায়শই মহিলারা শুধুমাত্র পুরুষদের থেকে নিজেদেরকে আরও আকর্ষণীয় ভাবে প্রদর্শন করার জন্যই কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করে থাকেন। লেন্সটা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যার ফলশ্রুতিতে এটা পরিধান করার ফলে তাদের চোখ আরও উজ্জ্বল এবং চকচকে দেখায়। তবে এটা যতই ফ্যাশনেবল বা ব্য্যবহুল হোক , এটা নিয়মিত পরিষ্কার না করলে চোখের অনেক বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।

পরামর্শ ০৫. পুরনো প্রসাধনী সামগ্রী ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন
যেসব প্রসাধনী সামগ্রীর মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে সেগুলো ফেলে দিন। আপনি যখন চোখ থেকে মেকআপ সরাবেন তখন কটন বল ব্যবহার করবেন। কারণ, খালি হাতে মেকআপ সরাতে গেলে আপনার অসতর্ক মুহূর্তে নখের খোঁচা লেগে সংক্রমণ সৃষ্টি হয়ে আপনার চোখের দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

শুধু কাজলে চোখের স্মোকি সাজ

পোশাকের ভিন্নতার উপর নির্ভর করে সাধারনত মেকআপ ও বিভিন্ন হয়ে থাকে। তবে আজকাল মেয়েরা মেকআপ করার ক্ষেত্রে সহজ পদ্ধতি আনুসরন করতে বেশী পছন্দ করে। কারন বর্তমানের ব্যাস্ততম জীবনে সাজগোজের সময় একটু কমই হয়ে থাকে। কিন্তু তাই বলে তো আর যেকোনো অনুষ্ঠানে বা পার্টিতে সাধারণ দেখালে তো চলবে না। বিশেষ করে চোখের সাজ এর ক্ষেত্রে। কারন চোখের সৌন্দর্যের মাধ্যমেই আসল সৌন্দর্য ফুটে উঠে। তাই আজকে আমরা আলোচনা করব কিভাবে শুধু কাজল  ব্যাবহার করে আপনি আপনার চোখের স্মোকি সাজে সাজিয়ে নিতে পারেন। এতি যেমন আপনাকে সবার মাঝখান থেকে আলাদা ও আকর্ষনীয় করে তুলবে তার সাথে সাথে আপনার খরচ ও সময় দুটোই বেচে যাবে।

Poushi16এর জন্য আপনার লাগবে কাজল ( অবশ্যই এটি যেনো ভালো মানের ও প্রপার কালো হয়। তা না হলে এটি ব্রাশ দিয়ে ব্লেন্ড করা যাবে না।) , একটি ব্লেন্ডিং ব্রাশ, একটা স্মাজ ব্রাশ, মাস্কারা এবং সাজ ঠিকমত চোখে বসার জন্য একটু পাওডার।

প্রথমে চোখ ভালোভাবে ধুয়ে মুছে নিয়ে একটি ভালো মানের কাজল দিয়ে চোখের পাতায় ভেতর থেকে বাইরের দিকে দাগ টেনে নিন। এরপর এর উপর আবার একটা দাগ টেনে এটাকে একটু মোটা করে নিন।

এরপর আবার দাগ টানতে থাকুন যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনি চোখের ভাজের কাছাকাছি না পৌছে জান। এবার চোখের ভাজটা কাজল দিয়ে কাভার করে ফেলুন।

এরপর ব্লেন্ডিং ব্রাশ দিয়ে যেসব জায়গায় কাজল লাগিয়েছেন তা ভালোভাবে ব্লেন্ড করে একটু হালকা করে  নিন। ব্লেন্ড করার সময় একটু সতর্কতার সাথে করতে হবে কারন ভালোভাবে ব্লেন্ড না হলে সাজ সুন্দর হবে না। চাইলে আপনি আঙ্গুল দিয়েও ব্লেন্ড করতে পারেন কিন্তু এতে কাজল মুছে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এরপর ওই ব্রাশ দিয়েই কাজলের একটু উপড়ে এবং চোখের ভাজের যায়গায় ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। ভালোভাবে চোখের ভেতর থেকে বাইরের দিকে যেখানে ভ্রু শেষ হয়েছে সেই পর্যন্ত ব্রাশ করুন।

এইবার আবার কাজল দিয়ে চোখের নিচের পাতায় ও উপরের পাতার ভেতর দিকে কাজল দিয়ে টেনে নিন। এরপর স্মাজ ব্রাশ দিয়ে নিচের পাতার কাজলটা একটু ব্লেন্ড করে নিন।

এরপর আবার কাজল দিয়ে চোখের উপরের পাতায় চিকন করে দাগ টেনে নিন। এরপর মাস্কারা দিয়ে চোখের উপরের ও নিচের পাতা কার্ল করে নিন।

সবশেষে হালকা একটু পাওডার লাগিয়ে সাজ সম্পুর্ন করুন। এতে করে সাজ বেশীক্ষন চোখে থেকে যাবে। আর খুব সমস্যা হলে এই পার্ট তা বাদ দিতেও পারেন।

সুস্থ চোখ সুন্দর পৃথিবী

মানুষের শরীরে যতগুলো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আছে তার মধ্যে চোখ সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই চোখের মাধ্যমেই পৃথিবীর সৌন্দর্য অবলোকন করা সম্ভব। যে ব্যক্তি অন্ধ তার কাছে দিন এবং রাতের মধ্যে কোনই পার্থক্য নেই। চোখ বাহ্যিক সৌন্দর্য প্রকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধারক। চোখ একটি সংবেদনশীল অঙ্গ। দিনের পর দিন চোখের যত্নে অবহেলা করলে আপনি আপনার চোখ তো হারাবেনই সাথে আপনার ভবিষ্যৎ ও অনেকটা অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে। তাই সময় থাকতেই চোখের সঠিক যত্ন নেয়া উচিত। আপনার সুন্দর চোখের যত্নে আপনাকে যা যা করতে হবেঃ

০১। চোখ পরীক্ষা করুন
আপনার কাছে হয়তো মনে হতে পারে আপনি পুরোপুরি সুস্থ। অর্থাৎ, আপনি সব কিছু পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছেন। কিন্তু, তারপরেও আপনি যদি ভাল একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞর তত্ত্বাবধানে থেকে চোখের পরীক্ষা করেন তাহলে এটা আপনার জন্য খুবই ভাল হবে। একজন ভাল চক্ষু বিশেষজ্ঞই পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে বলে দিতে পারবে আপনার দৃষ্টিশক্তি কোন পর্যায়ে আছে। কারণ, অনেক সময় কোন লক্ষণ ছাড়াই চোখে সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেটা আপনি নাও বুঝতে পারেন। গ্লুকোমা, ডায়াবেটিক চক্ষু রোগ ইত্যাদি রোগগুলো কোন উপসর্গ দেখা না দিয়েই সংক্রমণ ঘটায়।

niloy22০২। পরিবারের সদস্যদের সাথে আলাপ করুন
আপনি আপনার পরিবারে যারা আছেন তাদের সাথে চোখের বিষয়ে আলাপ করতে পারেন। অর্থাৎ, তাদের সাথে কথা বলে আপনার জেনে নিতে হবে তাদের কিংবা তাদেরও পূর্বপুরুষদের কারো চোখে সমস্যা ছিল কিনা। কারণ, চোখে সমস্যা একটা বংশগত রোগও বটে। এটা জেনে নিলে আপনি আপনার সমস্যা এবং এর থেকে উত্তরণের পথ সহজেই খুঁজে নিতে পারবেন।

০৩। স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য গ্রহণ করুন
সবুজ শাকসবজি দৃষ্টিশক্তির জন্য অত্যন্ত উপকারী। ফুলকপি, বাঁধাকপি, গাঁজর এগুলো আপনার চোখকে সুস্থ রাখবে। তাছাড়া ছোট মাছ, যেমন-মলা, ঢেলা প্রভৃতি চোখের জন্য খুবই উপকারী।

০৪। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখাটা অবশ্যই কর্তব্য। ওজন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে অর্থাৎ অতিরিক্ত বেড়ে গেলে এটা আপনার শরীরে ডায়াবেটিস এর জন্ম দিবে। এটা ধীরে ধীরে আপনার চোখকে আক্রান্ত করবে এবং আপনার দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পাবে।

০৫। নিরাপদ চশমা ব্যবহার করুন
আপনার চোখের নিরাপত্তার জন্য সঠিক চশমা ব্যবহার করুন। এক্ষেত্রে প্লাস্টিকের তৈরি লেন্স এর থেকে পলি-কার্বোনেট দ্বারা তৈরি লেন্স ব্যবহার করুন। কারণ, কোন ঝুঁকিপূর্ণ কাজের সময় এটা আপনার চোখকে ১০ গুন বেশী সুরক্ষা প্রদান করে। তাছাড়া সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনী রশ্মি থেকেও এটা আপনার চোখকে রক্ষা করবে।

০৬। ধূমপান কে না বলুন
আপনি যদি ধূমপায়ী হয়ে থাকেন তাহলে এখুনি এই অভ্যাসটি ত্যাগ করুন। কারণ, এটা আপনার স্বাস্থ্য এবং চোখ দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত করে। অপটিক নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত করার মাধ্যমে আপনি অন্ধত্ব বরণও করতে পারেন।

০৭। চোখকে বিশ্রাম দিন
আপনি যদি দীর্ঘ সময় কম্পিউটারে কাজ করে থাকেন তাহলে এই অবস্থান থেকে সরে আসুন। কারণ, দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের মনিটরের দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে আপনার চোখ কোটরের মধ্যে ঢুকে যাবে, চোখের নীচে কালো দাগ পড়বে। তাই একটানা কাজ না করে বিরতি নিয়ে তারপরে কাজ করুন।

০৮। নিয়মিত কন্টাক্ট লেন্স পরিষ্কার করুন
আপনার চোখের সুরক্ষার জন্য নিয়মিত আপনার কন্টাক্ট লেন্সটি পরিষ্কার করুন। তবে তার আগে প্রথমে আপনার হাত দুটি ভাল করে ধুয়ে নিবেন। আপনার কন্টাক্ট লেন্সটি পরিষ্কার থাকলে আপনি সংক্রমণের হাত থেকে আপনার চোখকে সুস্থ রাখতে পারবেন।

চোখ ও ঠোঁটের যত্ন প্রতিদিন

চোখ ও ঠোঁটের যত্ন প্রতিদিন

সৌন্দর্য এমন একটি বিষয় যা আমাদের মনকে উচ্ছ্বসিত রাখে। যদিও বলা হয়ে থাকে মানুষের আসল সৌন্দর্য তার মন। কিন্তু তারপরেও বাহিরের সৌন্দর্য কেও আমাদের প্রাধান্য দিতে হয়। কারণ অনেক সময় বাহিরের রূপ দেখে ভিতরটা অনেকাংশে চেনা সম্ভব। চোখ এবং ঠোঁট শরীরের সৌন্দর্য প্রকাশের বড় মাধ্যম। প্রতিদিন চোখ ও ঠোঁটের যত্ন নিন এবং অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা থেকে নিজের সৌন্দর্য রক্ষায় সচেতন হন। চোখ এবং ঠোঁটের যত্নে কয়েকটি টিপস দেয়া হল।

চোখ ও ঠোঁটের যত্ন প্রতিদিনযেভাবে চোখের যত্ন নিবেন
রাতে না ঘুমালে, দীর্ঘ সময় ধরে কম্পিউটারে কাজ করলে সাধারণত চোখের চারপাশ ফুলে উঠে, চোখ কোটর এর ভিতরে ঢুকে যায় এবং চোখের চারপাশ কালো হয়ে যায়।
# শসা এবং আলুর রসের মিশ্রণ তৈরি করে কুসুম গরম করে নিন এবং নরম তুলার সাহায্যে চোখের পাতায় লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট এভাবে রেখে দিন এবং যত্ন সহকারে ধুয়ে ফেলুন।
# আইল্যাশ বা চোখের পাপড়ি ঘন করতে চাইলে ক্যাস্টর তেল এর পাতলা অংশ প্রতি রাতে চোখের পাপড়িতে লাগিয়ে রাখতে পারেন। এটা আপনার চোখ ঠাণ্ডা এবং চোখের পাপড়ি মজবুত রাখবে।
# কয়েক ফোঁটা নারিকেল এর তেল চোখের চারপাশে ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে চোখের চারপাশের কালো দাগ দূর হবে।
# চোখের ফোলা ভাব কমাতে আলু গ্রেট বা পিষে গুঁড়া করে নিন। এরপরে একটি কাপড়ের মধ্যে আলুর গুঁড়া বেঁধে নিন এবং ১৫ মিনিট এর জন্য কাপড়টি আপনার চোখের উপরে রেখে দিন।
# চোখ উজ্জ্বল এবং চকচকে করতে বিশুদ্ধ পানির মধ্যে ১ চিমটি পরিমাণ লবণ নিন। লবণ মিশ্রিত পানি দ্বারা চোখ ধুয়ে ফেলুন।
# লেবুর রস ও টমেটোর রস সমান পরিমাণে নিন এবং একটি মিশ্রণ তৈরি করে চোখের চারপাশে লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পরে পর্যায়ক্রমে ঠাণ্ডা এবং গরম পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন।
# চন্দন কাঠের গুঁড়া এবং জায়ফল এর পেস্ট করে নিন। ঘুমানোর আগে চোখের চারপাশে পেস্টটি লাগিয়ে রাখুন এবং সকালে ঘুম থেকে উঠার পরে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন।

যেভাবে ঠোঁটের যত্ন নিবেন
গ্রীষ্মকালে ঠোঁটের যতটা না ক্ষতি হয় শীতকালে তার দিগুণ বেশি ক্ষতি হয়। এর কারণ হচ্ছে শীতে শরীরের আর্দ্রতা হ্রাস পায় এবং শরীর শুষ্ক হয়ে যায়। আর এটার সূত্র ধরেই ঠোঁটের সংবেদনশীলতার কারণে ঠোঁট ফেটে যায়।
# আপনি ঘরে বসেই আপনার ঠোঁটের জন্য অধিক উপকারী জেল বা মলম তৈরি করে নিতে পারেন। এজন্য আপনাকে ১ চা চামচ ক্র্যানবেরি বা লাল টক জাম এর রস এবং ২ চা চামচ ভেসলিন নিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। এটা ব্যবহারে আপনার ঠোঁট কোমল এবং গোলাপি বর্ণ ফিরে পাবে।
# ঠোঁটের কালো ভাব দূর করতে লেবুর রস প্রয়োগ করুন।
# ধনে পাতার রস ঠোঁটে ম্যাসাজ করুন। এটা আপনার ঠোঁটকে মসৃণ, কোমল এবং গোলাপি করে তুলবে।

চোখের নিচের কালো দাগ দুরীকরন

চোখের নিচের কালো দাগ দুরীকরন

মানুষের শরীরের সবচেয়ে পাতলা অংশ হচ্ছে চোখের আশেপাশের অংশ। প্রত্যেকদিন এটি সূর্যরশ্মী ও ধুলাবালি দিয়ে প্রভাবিত হয়। অতিরিক্ত পরিমানে কফি পান, ধুমপান,ঠান্ডা, এলার্জি, রাত জেগে কাজ করা, অতিরিক্ত চাপ গ্রহন এর ফলে বেশীরভাগ মানুষ ই চোখের নিচের কাল দাগের যন্ত্রনায় ভোগেন। যদিও আই কালো দাগ কোনো বর ধরনের অসুখ নয়, তারপরেও এটি চেহারার মাঝে বয়সের ছাপ, অসুস্থতা, ক্লান্তিভাব ফুটিয়ে তোলে। এই কালো দাগগুলো সম্পুর্নভাবে চেহারা এবং চোখের নিচে লুকিয়ে থাকে। কিন্তু এর থেকে পরিত্রানের জন্য কোনো ডাক্তার এর প্রয়োজন নেই যে আপনাকে কিছু দামি ঔষধ দেবে বরং আপনি এখন বাড়িতে বসে ই তৈরী করতে পারেন এর প্রতিকারী ঔষধ। আমি এখন আপনাদের এমন কিছু টিপস দিতে যাচ্ছি যার সাহায্যে বাসায় বসে সহজে ই এর থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

চোখের নিচের কালো দাগ দুরীকরন

photo by – Rocker ClickZ

সূসাস্থ্যের জন্য পানি অত্তন্ত্য প্রয়জনীঅ উপাদান। প্রতিদিন অন্তত্য পক্ষে ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস করুন। এতে যেমন আপনার সাস্থ্য ভালো থাকবে, তেমনি এটি আপনার শরীরের কোষ থেকে টক্সিন গুলোকে বাইরে বের করে দেয়। এটি  যেমন চোখের নিচের দাগ দূর করে তেমনি তককে উজ্জ্বল ও লাবন্যময় করে তোলে।

প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে আমন্ড তেল এর সাথে মধু মিক্স করে চোখের উপরে অ নিচে ভালো করে লাগিয়ে রাখুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে পানির ঝাপ্টা দি্যে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে কালি দূর হওয়ার সাথে সাথে তক কোমল ও মসৃণ হয়।

চা বানানোর পর চায়ের পাতার অবশিস্ট অংশ চোখের নিচে লাগালে অনেক উপকার পাওয়া যায়। এই উপাদান টি ঘুমানোর সময় ব্যবহার করলে ভাল হয়।

আলুর রস এবং শশা একসাথে পেস্ট করে চখের নিচে ৫ থেকে ১০ মিনিট রেখে দিতে হবে। আলুর রস কালো দাগের প্রতিষেধক হিসাবে ভাল কাজ করে। ১০ মিনিত পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

গোলাপ জলে তুলা ভিজিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে দিলে চোখের কালো দাগ দূর হয়। এটা প্রত্তেকদিন ব্যবহার করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

আজকাল সবাই যেহতু বাইরে কাজ করতে যায় এবং বাইরে অনেক সময় থাকতে হয়, সেহেতু বাইরে বের হওয়ার আগে সম্পুর্ন মুখে সান্সকিন লাগিয়ে নিন। লক্ষ্য রাখতে হবে সান্সকিন যেন ভালো ব্রান্ড এর হয়। নয়ত মুখে এর পারশপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।

প্রতিদিন এর খাদ্য তালিকায় ভিটামিন সি, ডি যুক্ত খাবার রাখতে হবে। কারন শরীরে পুষ্টির অভাব হলে চখের নিচে কালো দাগ পরতে পারে।

পেপের রস ফ্রিজে রেখে বরফ বানিয়ে নিতে হবে। তারপর প্রতিদিন রোদ থেকে আসার পরে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ম্যাসাজ করতে হবে। তারপর গরম তোয়ালে মুখে চেপে শুকিয়ে নিতে হবে। এতে কালো দাগ দূর হয়।

কখনো কাচা লবন খাওয়া উচিত নয়। কারন এটি তককে যেমন শুস্ক করে ফেলে সাথে সাথে চখের নিচের কাল দাগের জন্য এতি একটি অন্যতম কারন।

টমেটোর রস চোখের দাগ এর প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে টমাটো কেটে চোখে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ম্যাসাজ করে। এতে দাগ অনেক কমে যায়।

দুশ্চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। যতটুকু সম্ভব রিলাক্স থাকার চেষ্টা করুন। কারন দুষচিন্তা চখের নিচে কালি পরার একটি অন্যতম কারণ।