Category Archives: ফ্যাশন

পোষাকে বর্ষবরণ

বাঙালির দরজায় কড়া নাড়ছে নববর্ষ। নতুন বছরকে বরণ করে নিতে চলছে প্রস্তুতি। পিছিয়ে নেই দেশি ফ্যাশন হাউজগুলোও। শপিংমল থেকে শুরু করে ফুটপাথে চারদিকে চলছে কেনাকাটার ধুম। এমন একটা সময় ছিলো যখন পোশাকে হাতের কাজ বলতে শুধু সুঁই সুতার নকশাকেই বোঝানো হত। তবে এখন শুধু সুঁইয়ের খোঁচায় সুতার রংয়ে বোনা ফুল, পাখি অথবা বাহারি নকশা নয়, কাপড়ের সৌন্দর্য বর্ধণ করতে শিল্পীর রং তুলির জনপ্রিয়তাও কম নয়। রং আর তুলির স্পর্শে বর্ণিল হয়ে ওঠে পরনের পোশাক।

Continue reading

টিকটিক টিকটিক

stylebd24কটা বাজে?? এমন প্রশ্ন শুনে এখন কেউ আর সূর্যের দিকে তাকায় না। সরাসরি তার ঘড়ি দেখে বলে দেয় সময় এখন কতো। সময়ের সাথে সাথে সময় দেখবার ধরণটাও পাল্টেছে। মূলত: ঘড়িএমন একটি যন্ত্র যা সময় নির্ধারণে সাহায্য করে। ঘড়ি আবিষ্কারের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় সূর্যঘড়ি হলো প্রথম যান্ত্রিক ঘড়ি। আনুমানিক সাড়ে পাঁচ হাজার বছর আগে মিসর ওব্যালিবনে এর উৎপত্তি।এটি আজও টিকে আছে। সেকেন্ড ও মিনিটের কাটা নেই,নেইকোন টিকটিক শব্দ। তবে সময় দেয় একদম নিখুঁত।গোলাকার চাকতিতে একটি নির্দেশককাঁটা ও দাগ কাটা সময়ের ঘর,এ নিয়েই সূর্যঘড়ি।মাত্র ৭০০ বছর আগে লাতিনশব্দ ‘ক্লক্কা’ থেকে এসেছে ক্লক।ক্লক্কা মানে ঘন্টি।যদিও ইতিহাসেও এইমূল্যবান আবিষ্কারটির আবিষ্কারক হিসেবে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম পাওয়াযায়না। তবে সূর্য ঘড়ির ব্যবহার শুরু অনেক কাল আগে থেকেই। ধারণা করা হয়মিশরীয়রাই প্রথম প্রকৃতিনির্ভর অর্থাৎ সূর্য-ঘড়ি নির্মাণ করেছিল আর ১৪শতাব্দীতে এসে ইউরোপিয়ানরাই এই তত্বের উপর ভিত্তি করে প্রথম যান্ত্রিকঘড়ি আবিষ্কার করেন।

Continue reading

কেমন পোশাক চাই

style24কোথায় কেমন পোশাক পরতে হবে, তা নিয়ে বাঁধাধরা কোনো নিয়মের কথাও বলা হয়নি কোথাও। আর আজকালের তরুন-তরুনীরা তার নির্দিষ্ট কোন সঙ্গা মানতেও নারাজ। তবে লক্ষ্য রাখুন তা যেন নিজের কাছেই বিরক্তির কারণ না হয়ে দাড়ায়। পরিবেশ বুঝে পোশাক পড়ার চেষ্টা করুন। নিজের স্বাচ্ছন্দ্যকে প্রধান্য দিন। ছাত্রজীবনে ফরমাল পোশাক বলতে হয়তো ছেলেমেয়েরা সাধারণত বিয়ে বা এমন কোনো অনুষ্ঠানে পরার পোশাকের কথাই বোঝে। আবার অফিসের ব্যাপারটি একদম আলাদা।

Continue reading

ঈদ পোশাকে

BARI3371অপেক্ষার পালা ছোট হয়ে আসছে। আর মাত্র কয়েকদিন পরেই সেই প্রতিক্ষীত ইদ। উফ কি আনন্দ। কৈশোর থেকে তারুণ্য—সময়টা যেন আরও বেশী উচ্ছলতা, উপভোগ ও আনন্দের। তাই ঈদপোশাকে এ বিষয়গুলোতো থাকবেই আর তা থাকবে রং, কাট ও আধুনিকতার মিশেলে। তাদের জন্য ঈদপোশাকে পাওয়া যাবে বৈচিত্র্য। সালোয়ার-কামিজের বাইরেও নানা ধরনের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। দেশি পোশাকের পাশাপাশি পাশ্চাত্য পোশাকের চাহিদাও এবার বেশ। গরমের কথা চিন্তা করে ব্যবহার করা হচ্ছে আরামদায়ক কাপড়। শুধু পোশাকে নয়, সাজেও থাকবে ভিন্নধর্মী লুক।

বছরজুড়েই ভিড় থাকে মেয়েদের পার্লারে। আর ঈদ সামনে রেখে কী অবস্থা, বলার অপেক্ষা রাখে না। রমজান আসতে না আসতেই রাজধানীর পার্লারগুলোর ধানমণ্ডি, বনানী, উত্তরা, গুলশানসহ বিভিন্ন শাখায় পা ফেলতে শুরু করেছে রূপসচেতন তরুণীরা। ঈদের দিন নিজেকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে পরামর্শ নিচ্ছে রূপ বিশেষজ্ঞদের। কেউ কেউ দেরি না করে বসে পড়ছে পার্লারের সাজ-টেবিলের সামনে। নিশ্চয়ই আপনিও যাচ্ছেন! যাওয়ার আগে বুঝে নিন কোন পার্লারে যাবেন, আর কী কারনে যাবেন।

প্রাচীনকালে পুরুষরা বরং অলংকার পরত মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য। তখনকার অলংকার ছিল শিকার করা পশুর হাড়, শিং, চামড়া ইত্যাদি। অলংকার দিয়ে মধ্যযুগে পদমর্যাদাও বোঝানোর চেষ্টা করা হতো। এখনকার হিসাব আলাদা। গয়না বিরাট ফ্যাশন! গয়নার ভাণ্ডার গড়ে তোলে শহর থেকে গ্রাম-সব জায়গার মানুষ। বিশেষ করে মেয়েরা। ঈদ উপলক্ষে গয়নার বাজারে নানা অফার চলছে। কোথাও কোথাও ৩০% পর্যন্ত। সোনার অলঙ্কারের পাশাপাশি পছন্দ করতে পারেন নানান ধাতব অলঙ্কার বা গোল্ড প্লেটেড অলঙ্কার।

যেসব তরুনীরা চোখে চশমা ব্যবহার করেন তাদের মন খারাপ করে বসে থাকবার কোন কারণ নেই। আজকাল নিত্য প্রয়োজনীয় এই চশমাও ফ্যশনের অংশ হয়ে পড়েছে। তাই মন খারাপ করে গাল ফুলিয়ে না বসে থেকে নিজেদের ব্যক্তিত্ব্যের সাথে মিলিয়ে পছন্দ করে নিন আপনার প্রিয় চশমা খানা।

ছবি: বারীণ ঘোষ
মডেলঃ নাবিলা

ঝুম বৃষ্টি, বাহারি সাজ

soniaমাথার ওপর গনগনে রোদ, কখনো রূপ পাল্টে আকাশ কালো করে নামছে ঝুম বৃষ্টি। মেঘ ডাকছে, আবহাওয়ার মতিগতি বোঝা দায়। এরই মধ্যে চলছে ইদ উৎসবেরও পরিকল্পনা, প্রস্তুতি। দৈনন্দিন পরিকল্পনার একটি বড় অংশজুড়ে থাকছে সাজগোজ। কেমন হওয়া উচিত দৈনন্দিন সাজগোজ?

দিনের বেলায় সাজগোজ হবে বেশ হালকা। গায়ের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে হালকা গোলাপি বা বাদামি ব্লাশন ব্যবহার করতে পারেন। দিনে বাইরে বের হলে খুব চড়া মেকআপ না নেওয়াই ভালো। মেকআপ অবশ্যই ম্যাট হতে হবে। চোখে রংচঙে শেড না দিয়ে বেছে নিতে পারেন নিউট্রাল রং। ঠোঁট রাঙাতে পারেন লাল রঙে। শাড়ির সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সাজ দিতে চাইলে কপালে লাল একটি টিপ না থাকলে সাজটা যেন ঠিক জমে না। সাজপোশাকে আরামের কথাও ভাবতে হবে। কুর্তা, ফতুয়া, স্কার্ট ও ধুতি-পায়জামার সঙ্গে চুল সামনে একটু পাফ করে নিয়ে পনিটেল বা স্টাইলিশ কোনো বেণি করে নিতে পারেন। বৈচিত্র্য আনা যেতে পারে গয়নাতেও। রঙিন পুঁতি বা কাপড়ের মালা কেউ চাইলে মাথায়ও ব্যবহার করতে পারেন। সাদামাটা শাড়ির সঙ্গে রঙিন গয়না পরে সামঞ্জস্য আনা যেতে পারে। শাড়িটি যদি হয় রংচঙে, তাহলে মেকআপ ও গয়নার রং হালকা হলেই ভালো দেখাবে। শাড়ি বা কামিজে দেশি নকশা থাকলেও চুলটা ছিমছাম ও ট্রেন্ডি ধাঁচে বেঁধে নিতে পারেন। অনুষঙ্গ ঐতিহ্যবাহী বা ফাংকি—দুই রকমই চলবে।

রাতের মেকআপে বেস ব্যবহার দিনের চেয়ে ভারী হতে পারে। ঠোঁটে পোশাকের রঙের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে লাল, ওয়াইন রং বা বেরি রং বেছে নেওয়া যেতে পারে। এ সময় ব্লাশন ও চোখের শেড গাঢ় হলেও সমস্যা নেই। তবে চোখ অথবা ঠোঁট—যেকোনো একটিকে প্রাধান্য দিতে হবে। চোখ যদি হয় স্মোকি, তাহলে ঠোঁট মিষ্টি ও হালকা রঙে রাঙিয়ে নিন। চোখে যদি ন্যাচারাল শেড ব্যবহার করেন, তবে ঠোঁটে ফুটে উঠুক চড়া কোনো রং। রাতের পোষাকে আরাম খুঁজে নিতে ছিমছাম পোশাক বেছে নিতে পাড়েন। অনেকে পরছেন গাউন বা জিনস- টপ। গাউন বা পশ্চিমা ধাঁচের পোশাকের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সাজ না দেওয়াই ভালো। চোখে টানা কাজল, কপালে বড় টিপ ও হাতভর্তি চুড়ি তোলা থাক দেশীয় পোশাকের জন্য। রাতের দাওয়াতে শাড়ির আঁচল ছেড়ে রাখতে পারেন। দিনে যাঁরা বের হননি বা হলেও ছিলেন খুব ছিমছাম সাজে, তাঁরা রাতের নিমন্ত্রণে চুলটা সুন্দর করে সেট করে ছেড়ে রাখতে পারেন। অথবা চুলটা উঁচু করে বেঁধে ব্যবহার করতে পারেন যেকোনো হেয়ার অ্যাকসেসরিজ।

১১৭ কেজি ওজনের সুপার মডেল

Tess holiday2তিনি একজন সুপার মডেল। উচ্চতা পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি আর ওজন ১১৭ কেজি। ওজন দেখে নিশ্চয় চমকে উঠেছেন। ইনি হলেন যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্লাস সাইজ’ সুপার মডেল টিস হলিডা।  ওজন কমাতে গিয়ে সম্প্রতি মারা গেলেন তেলেগু সিনেমার অভিনেত্রী আরতি আগরওয়াল। অন্যদিকে মডেল মানেই স্লিম ফিগার— এই ধারণাকে বাতিল করে দিয়েছেন ২৯ বছর বয়সী টিসা। কেউ তাকে মোটা বললে কিছুই নাকি যায় আসে না।

ছোট থেকেই লোকে তাকে মোটা বলতেন। তাতে মোটেও খেপতেন না, খুশিই হতেন। টিসা এ নিয়ে বলেন, ‘বাবাও আমার বেঢপ চেহারা নিয়ে ঠাট্টা করতেন। আমি খেতে ভালবাসি। চকোলেট আমার ফেভারিট। রোগা হওয়ার জন্য কখনো ডায়েট করিনি। এটা আমার দোষ হতে পারে। সকলেরই কোনো না কোনো দোষ থাকে। তবে, আমার দোষটা সকলে সামনাসামনি দেখতে পায় এটা বেশ ভাল একটা ব্যাপার।’

এ ছাড়া তিনি মনে করেন, জীবন এমনিতেই খুব একঘেয়ে। তাই ডায়েট করে বা না খেয়ে নিজেকে কষ্ট দেওয়ার কোনও মানে নেই। টিসার এ চেহারা নিয়েই খুশি প্রেমিক নিক। তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেকেই নিজের মত করে সুন্দর। সৌন্দর্যকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো উচিত আমাদের। সুন্দর বা অসুন্দর— প্রত্যেকেরই নিজের মত করে স্থান পাওয়া দরকার। সমাজের কাছে এটাই আমার চ্যালেঞ্জ।’

টিসার ধারণা ফেলনা নয়। কারণ এমন ফিগার সত্ত্বেও তার ভক্ত কম নয়। ফেসবুকে তার প্রোফাইলে লাইক দশ লাখ ছাড়িয়েছে। ইনস্টাগ্রামে প্রায় আট লাখ। অতএব মোটা বলে মনখারাপ করে ঘরের কোণে লুকিয়ে থাকার দিন শেষ। আপনি কিভাবে বাঁচতে চান— সেটাই আসল কথা। তাই কেউ আপনাকে মোটা বললেও সুপার মডেল হবার লক্ষ্য থেকে সরে আসবার কোন কারন নেই।

winter style24bd

ঠান্ডা-ঠান্ডা.. কুল-কুল

winter style24bdcomশরতের শেষে হেমন্তের আগমন। আর হেমন্তের এই সময়টায় শুরু হয় শীতের প্রস্তুতির তোড়জোড়। শীতের পুরোনো পোশাকগুলোই আবার নামিয়ে, রোদে দিয়ে শীত মোকাবিলার আয়োজন। শীত তো থাকবে মোটে দুই মাস, কিংবা আরও  কম। নতুন কাপড় কিনেই বা কী হবে। শীতের সময়টা বরং ওজন কমানোতে মন দেওয়া যাক, যাতে গরম এলে পরা যায় নানা ফ্যাশনেবল পোশাক। এ দেশে শীত পড়ে কম, তাই বলে শীত–পোশাকের বাহারে কমতি নেই। কম ঠান্ডায় পরার উপযোগী করেই বানানো হচ্ছে এ সময়ের শীতের পোশাক।

আর ট্রেন্ডও বদলে যাচ্ছে বছর বছর। দারুণ সব জ্যাকেট আর ওভারকোট তো রোজই দেখা হচ্ছে নানা ওয়েবসাইটে।  এই আফসোস আর করতে হবে না। কারণ, এবার শীতে ফ্যাব্রিক বা কাপড়ের নানা বৈচিত্র্য দেখা যাবে, এমন জানালেন ডিজাইনাররা। নানা নকশার ‘আউটার উইয়ার’ অর্থাৎ অন্য পোশাকের ওপর পরার মতো আরেকটি পোশাক যেমন: কোট, জ্যাকেট, ব্লেজার, সোয়েটার ইত্যাদি বাজারে আসা শুরু হয়েছে এর মধ্যেই। পশ্চিমা ট্রেন্ড মেনেই নকশা করা হচ্ছে এসবের, তবে কাপড়টা এ দেশের আবহাওয়া উপযোগী।

হালকা ধাঁচের এসব শীতের পোশাকের মজাটা হলো, এতে ভেতরের পোশাকটিও তেমন ঢাকা পড়ছে না। অর্থাৎ সামনের অংশে খোলা কোনো সোয়েটার পরলে ভেতরে পছন্দের টি-
শার্টটিও পরতে পারেন। প্রিয় টি-শার্ট বা টপগুলো গরমের জন্য তুলে রাখার তেমন প্রয়োজন নেই। ব্লেজার আর শ্রাগেরও বেলাতেও তাই। সামনের অংশে বোতাম দেওয়া
শীতের পোশাক এখন কমই দেখা যাচ্ছে। সোয়েটারের গলাও বেশ বড় চলছে।

গত বছরের সঙ্গে এবার শীতের পোশাকের ট্রেন্ডে বড় পার্থক্য হল রং। উজ্জ্বল রং, ক্লালার ব্লকিং, চড়া প্রিন্ট এসব এ বছর তেমন চলছে না। রঙের বেলায় বেশ সংযত ভাবটাই এ বছর দেখা যাবে। ‘নিউট্রাল রং’ যেমন: কালো, ছাই, ধূসর, বাদামি ইত্যাদির দাপট এবার। তবে রঙের বৈচিত্র্যে মেতে উঠতে বাধা নেই। কারণ সেই লেয়ারিং। বাদামি ব্লেজারের সঙ্গে পরে নিন গাঢ় সবুজ বা সাদা-কালো স্ট্রাইপের জাম্পস্যুট। কিংবা ছাই কোটের তলায় থাক লাল বা বেগুনি টি-শার্ট।

এ মাসের শেষ নাগাদ বেশির ভাগ ফ্যাশন হাউসেই চলে আসবে শীতের পোশাকের নতুন সংগ্রহ। আর এর মধ্যেই জমে উঠতে শুরু করেছে বদরুদ্দোজা সুপার মার্কেট ও বঙ্গবাজার। একস্ট্যাসি, আরবান ট্রুথ, ক্যাটস আই, ওয়েস্টেকস, ইয়েলো তো আছেই। অপেক্ষাকৃত নতুন ব্র্যান্ড যেমন: রেলুসে, নয়ের, সিকোসোর সংগ্রহও বেশ আকর্ষণীয়। ঢাকার বনানী ১১ নম্বর সড়ক ও বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের নিচতলা ও দোতলার দোকানগুলোতেও পাবেন শীতের পোশাক।

sunglass fashion

সানগ্লাসে ফ্যাশন

sunglass fashion style24সারাদিন কাঠফাটা রোদ আর সেই সাথে ঝিরিঝিরি বাতাস প্রকৃতিতে এক অদ্ভুত সৌন্দর্যের সৃষ্টি করে। আর সেই সাথে সারাদিন বাইরের ধুলাবালি আর রোদের তাপ সৌন্দর্যকে অনেকটা মলিন করে দেয়। কবে এক্ষেত্রে রোদ ও ধুলাবালি থেকে রক্ষা পেতে একটা উপকারী বস্তু হচ্ছে সানগ্লাস। এটি যেমন রোদ ও ধুলাবালি থেকে চোখকে রক্ষা করে সেই সাথে ফ্যাশনেও অনেক গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করে। আজকাল কম বয়সী ছেলেমেয়ে থেকে শুরু করে মধ্যবয়সী মানুষেরাও বিভিন্ন ধরনের সানগ্লাস ব্যাবহার করে থাকে। আর ফ্যাশনের সাথে তাল মিলিয়ে এখন সানগ্লাস এর ধরন, রঙ সব বদলে গেছে। পোশাকের ভিন্নতার ওপর নির্ভর করে একন ভিন্ন হচ্ছে সানগ্লাস এর রঙ ও ধরন। তবে কোন ধরনের মুখের গড়নের সাথে কোন শেপ এর সানগ্লাস ভালো লাগবে তা পুরোপুরি নির্ভর করে একেকজনের নিজস্ব রুচির উপর। তাই আজ আমরা আলোচনা করব মুখের গড়ন, পোশাক ভিন্নতার সাথে কোন ধরনের শেপ ও রঙের সানগ্লাস ভালো লাগবে।

আজকাল প্রায় সব বয়সের মানুষেরাই সানগ্লাস ব্যাবহার করে থাকে। তবে একন সানগ্লাস আর শুধু কালো বাদামী রঙ্গেরি সীমাবদ্ধ নয়। এখন বাজারে বিভিন্ন রঙ ও শেপের সাংলাস পাওয়া যায়। বিশেষ করে পার্পেল, সাদা, ওয়াটার, কমলা এই রংগুলো প্রাধান্য পাচ্ছে। এছাড়াও সানগ্লাস এর রঙের ভিন্নতার সাথে সাথে বিভিন্ন রঙের বর্ডার যুক্ত সানগ্লাস এর চাহিদাও বাড়ছে। তবে এই বর্ডার যুক্ত সানগ্লাস গুলো পশিমা পোশাকের সাথে বেশী ভালো লাগে। এখন বাজারে বিভিন্ন প্রিন্টেড লেগিংস পাওয়া যাচ্ছে। এই ধরনের প্রিন্ডের লেগিংস, টপস অথবা টি শার্টের সাথে এই প্রিন্টেড বর্ডার যুক্ত সানগ্লাস গুলো অনেক মানানসই হয়। এক্ষেত্রে চারকোনা শেপের সানগ্লাস গুলোর চাহিদা অনেক বেশী।

আবার কারো মুখের গড়ন যদি ছোট ও গোল হয় তাহলে সেক্ষেত্রে বেশী বড়sunglass fashion style24bd শেপের সানগ্লাস পছন্দ না করাই ভালো। তাহলে তাই মুখ
আরো বেশী ছোট দেখাবে। আবার লম্বাটে গড়নের চেহারায় চারকোনা শেপ অনেক ভালো লাগবে। বিশেষ করে স্যালোয়ার কামিজের বা কুর্তার সাথে ব্যাবহারের সময় গোল এবং চ্যাপ্টা শেপ পছন্দ করা যেতে পারে। পোশাকের রঙের সাথে মিলিয়ে সানগ্লাসেরও ভিন্ন ভিন্ন রঙ পছন্দ করা যেতে পারে।

সাধারণত মধ্যবয়সী মহিলাদের ক্ষেত্রে বেশী রংচঙে সানগ্লাস ব্যাবহার নয়া করাই ভালো। তাদের জন্য স্বচ্ছ অথবা বাদামী রঙ গুলো বেশী ভালো লাগবে।

দামের ভিন্নতার উপর নির্ভর করে সানগ্লাস এর ধরন ও ভিন্ন হয়। সাধারণত ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত দামের সানগ্লাস পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে ডায়োর, রে বন ব্যান্ড গুলো অনেক ভালো হয়। তাই বাইরে যাওয়ার আগে আপনার প্রয়োজনীয় জিনিসের সাথে মনে করে একটা সানগ্লাস নিয়ে বের হন। কারন এটি শুধু আপনার সৌন্দর্যকে বাড়াবে না তার সাথে সাথে বাইরের ধুলাবালি ও রোদের অতিবেগুলী রশ্মি থেকে আপনার চোখকে রক্ষা করবে।

ছবি: বারীণ ঘোষ
মডেলঃ কথা