Category Archives: এক্সক্লুসিভ

Valentine Day style24

১৪ ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালবাসা দিবস

Valentine Day style24জাতি, ধর্ম, দেশ, কাল ছাড়িয়ে অনন্ত পর্যন্ত ভালবাসা বিরাজমান। ভালবাসা সার্বজনীন একটি শব্দ। ভালবাসা শুধু নির্দিষ্ট একজনের জন্যে তা নয়। ভালবাসা হতে পারে মা বাবার জন্যে, হতে পারে ভাই-বোনের জন্যে, হতে পারে বন্ধু বান্ধবের জন্যে অথবা নাম না জানা কোন পথিকের জন্যে। কবির লেখনির মাধ্যমে ভালবাসা ফুটে উঠেছে বহুকাল আগে থেকেই- “আমরাও পরান যাহা চায়, তুমি তাই তুমি তাই গো”…।

Continue reading

ভালবাসার মানুষের মুখ থেকে মেয়েরা যে ৭টি কথা শুনতে চায়

ভালবাসার মানুষের মুখ থেকে মেয়েরা যে ৭টি কথা শুনতে চায়

“আমার অন্তর্যামী জানেন, তোমার জন্য আমার হৃদয়ে কি গভীর ক্ষত; কি অসীম বেদনা।…তুমি এই আগুনের পরশ মানিক না দিলে আমি অগ্নি বীণা বাজাতে পারতাম না”- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার প্রথম স্ত্রী নার্গিস খাতুনের প্রতি ভালবাসা প্রকাশ করতে গিয়ে এই লাইন দুটি লিখেছিলেন। ঠিক তেমনি আমরাও কোনো না কোন সময় আমাদের ভালবাসার মানুষটির কাছে আমাদের মনের অব্যাক্ত ভালবাসাটুকু প্রকাশ করতে গিয়ে পেছপা হয়ে যাই। কারণ আমরা ঠিক বুঝে উঠতে পারিনা তারা কোন জিনিসটা বা কোন কথাটিতে খুশি হবে।আমাদের এই পৃথিবীতে বিভিন্ন ধর্মের, বর্নের গড়নের অথবা ভিন্ন ব্যাক্তিত্ব সম্পন্ন নারী আছে। এরা যেমন দেখতে একজন আরেকজনের চেয়ে আনেক ভিন্ন তেমনি চিন্তাভাবনার দিক থেকেও একজনের থেকে আরেকজনের অনেক পার্থক্য রয়েছে। এমনকি বড় বড় কবিরা পর্যন্ত নারীর চিন্তার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয় হয়নি। কিন্তু একটা দিক থেকে সব নারীরই সাদৃশ্য রয়েছে আর তা হল সব মেয়েরাই তার ভালবাসার মানুষের কাছে একটু আলাদা হতে চায়। তারা চায় তার পছন্দের মানুষটি যেন তাকে সবচেয়ে বেশী ভালবাসে, তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে, তার খেয়াল রাখে। এবং কিছু কিছু কথা আছে যেগুলো নারীরা তার ভালোবাসার মানুষের মুখ থেকে শুনতে খুব পছন্দ করে। তাই আজ আমরা দেখাব কোন কথাগুলো মেয়েরা তার ভালবাসার মানুষের মুখ থেকে শুনতে চায়।

আমি তোমাকে ভালবাসি

পৃথিবীর প্রত্যেকটা মেয়ের কাছেই তাদের ভালবাসার মানুষটির মুখ থেকে সবচেয়ে আকাঙ্খিত বাক্যটি হচ্ছে “ আমি তোমাকে ভালবাসি”। যখন আপনার সঙ্গীটি প্রচন্ড অভিমানে গাল ফুলিয়ে বসে থাকে তখন একবার এই কথাটি বলেই দেখুন না, কিভাবে সে সব অভিমান ভুলে আপনার বাড়িয়ে দেওয়া হাত ধরে নিবে। অথবা হয়ত সংসারের দায়িত্বের ভিড়ে আপনার ভালবাসার সঙ্গীকে তার প্রাপ্য সময় দিতে পারছেন না, তখন হঠাৎ তাকে জড়িয়ে ধরে একবার বলেই ফেলুন এই কথাটি। যত কঠিন সময়ই হোক তার মুখে একটু হাসি আর লজ্জা ফুটে উঠবেই।

ভালবাসার মানুষের মুখ থেকে মেয়েরা যে ৭টি কথা শুনতে চায়তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে

প্রত্যেক মেয়েই প্রশংসা শুনতে অনেক পছন্দ করে। বিশেষ করে সেটি যদি তার ভালবাসার মানুষের কাছ থেকে হয় তাহলে তো আর কোন কথাই নেই। কোন অনুষ্ঠানে হয়ত আপনার স্ত্রী অথবা প্রেমিকা অনেক সুন্দর করে সেজেগুজে আপনার সাথে ঘুরতে বের হল। সেক্ষেত্রে আপনি একবারও তার দিকে ভালোভাবে তাকিয়ে দেখলেন না, তখন আপনি তার সাথে যত ভালো সময়ই কাটান তার মনে একটু কষ্ট থেকেই যায়। তাই আপনার সঙ্গিনীর দিকে মনযোগ দিন এবং তাকে মাঝেমাঝে বলুন এই কথাটি। শুধু সেজেগুজে থাকলেই নয়। তার পাশে হাটতে হাটতে হঠাৎ করেই তাকে বলতে পারেন যে আজ তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে। এতে তার মনে আপনার সম্পর্কে একটা সুন্দর ধারণা জন্মাবে যে আপনি তাকে লক্ষ্য করেন।

আমি তোমার সাথে সারাজীবন কাটাতে চাইঃ

মেয়েরা যেকোন বিষয়ে স্থায়িত্ব পছন্দ করে। তারা চাই যে মানুষটি তাকে ভালবাসবে সে তার সাথেই বুড়ো হতে চাইবে। তাই যখন পছন্দের মানুষটির হাত ধরে ঘুরে বেড়ান অথবা মনের আবেগ প্রকাশ করে ভালবাসার কথাগুলো বলেন তখন একবার জিজ্ঞাস করেই দেখুন সে আপনার সাথে সারাজীবন থাকবে কিনা? অবশ্যি সে না বলতে পারবে না। কারণ সে তার খুশি প্রকাশ না করলেও আপনি তার ছলছলে চোখ দেখেই তার খুশির পরিমান আন্দাজ করতে পারবেন।

তুমি আমাকে এতটা কিভাবে বুঝতে পারো

ভালবাসার সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে একজন আরেকজনকে বুঝতে পারা। যদি আপনার কখনো অনেক খারাপ লাগে এবং আপনার সঙ্গিনী আপনার পাশে এসে দাড়ায় তাহলে অন্তত একবার তাকে এই কথাটি বলুন। কারন আপনি যদি তাকে বলেন সে সে আপনাকে বুঝতে পারে তাহলে তার মনের মধ্যেও এক ধরনের প্রশান্তি হবে যে সে হয়ত আপনার যোগ্য সঙ্গিনী।

ভালবাসার মানুষের মুখ থেকে মেয়েরা যে ৭টি কথা শুনতে চায়তুমি আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ

প্রত্যেকটা ভালোবাসার মানুষ বিশেষ করে মেয়েরা তাদের স্বামঅ অথবা বয়ফ্রেন্ডের কাছে সবচেয়ে স্পেশাল হতে চায়। তাই যদি আপনি আপনার ভালবাসার মানুষেকে বলেন যে সেই আপনার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় তাহলে তার থেকে খুশি এই পৃথিবীতে কেউ হবে না।

তুমি আমার জীবনের শেষ নারী

সব মেয়ারাই চায় সে যেন তার ভালবাসার মানুষের কাছে প্রথম হতে পারে। কিন্তু অনেক সময় তা হয়ে উঠে না। কিন্তু যদি সে ছেলেটি মেয়েটিকে তার অতীতের সব কথা খুলে বলে তাকে বলে সে তুমিই আমার জীবনের শেষ নারী, তোমাকে ছাড়া আমি আর কাউকেই ভালবাসতে পারব না। তাহলে সে মেয়ে কখনই তার সঙ্গীর জীবনে প্রথম মেয়ে না হওয়ার কষ্ট পুষে রাখতে পারবে না বরং সে অনেক বেশী খুশি হবে।

তুমি আসাতে আমার জীবন পূর্ন হয়ে গেছে

মেয়েরা চায় সে যেন তার ভালবাসার মানুষকে সবসময় সুখে রাখতে পারে। তাই তার ভালবাসার মানুষ্টী যখন তাকে বলে যে সে থাকে পেয়ে অনেক খুশি এবং তার আর কোন অপূর্নতা নেই তাহলে সেই মেয়ে অনেক সুখি হয়।

 

মডেলঃ আজবি ও ফারহা

ছবিঃ রিফ্লেকশন মিডিয়া

ক্যামেরায় ছবি ধারন করলে স্মৃতিশক্তি কমে

ক্যামেরায় ছবি ধারন করলে স্মৃতিশক্তি কমে

কোনো আনুষ্ঠান অথবা বন্ধুরা মিলে কোথাও ঘুরতে গেলে সবার প্রথমে এই কথাটি মনে আসে যে সাথে ক্যামেরা আছে তো। একটা সময় ছিল যে মানুষ কোথাও বেড়াতে গেলে আগে সেই জায়গাটা প্রাণ ভরে দেখত। সব খুটিনাটি দেখে সবার সাথে মিলে একসাথে সময় কাটাত। কিন্তু এখন বেড়াতে যাওয়ার মূল উদ্দেশ্যটাই হচ্ছে ফেসবুকে ছবি আপলোড দেওয়া। যে যত বেশী ছবি ফেসবুকে আপলোড দিতে পারে তার ফ্যান তত বেশী। কিন্তু আসলে ছবি তুললেই কি ঐ জায়গা এবং ঐ ইভেন্টটা সম্পর্কে সবকিছু মনে থাকে। প্রযুক্তির এই ব্যাবহারটি আমাদের স্মৃতিশক্তিকে তো কমিয়ে দিচ্ছে নাতো?

ক্যামেরায় ছবি ধারন করলে স্মৃতিশক্তি কমেহ্যা। প্রযুক্তির এই ব্যাবহারটি আমাদের স্মৃতি শক্তির উপর সত্যি সত্যি অনেক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। কারন চোখ দিয়ে কোনো কিছু সরাসরি দেখা এবং ক্যামেরার সাহায্যে দেখার অনেক পার্থক্য রয়েছে। সম্প্রতি এক গবেষনায় দেখা গেছে খালি চোখে কোনো কিছু খুটিয়ে খুটিয়ে পর্যবেক্ষন করলে ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলার চেয়ে বেশী মনে থাকে। এজন্য একটা সেচ্ছাসেবক গ্রুপকে দুই ভাগে ভাগ করে একটা জাদুঘর প্রদর্শনে পাঠানো হয়। সেখানে একদল খালি চোখে শিল্পকর্ম গুলো প্রদর্শন করে এবং আরেকটি গ্রুপ ক্যামেরার মাধ্যমে ছবি ধারণ করে। সম্পুর্ন পর্যবেক্ষন শেষ হয়ে গেলে দেখা যায়, যারা খালি চোখে দেখেছিল তাদের বর্ননা করার ক্ষমতা প্রযুক্তি ব্যাবহারকারী দলের চেয়ে অনেক বেশী।

সাধারণত কোনো ইভেন্টকে মনে রাখার জন্যই ক্যামেরার ছবি ধারন করা হয়। এক্ষেত্রে ছবি তুলতে গিয়ে হয়ত এতোই ব্যাস্ত হয়ে পরে যে নিজের চোখে জায়গাটাকে ভালোভাবে দেখাও হয় না। ফলে মানুষের মস্তিস্কের মধ্যে ওই জিনিসটি থেকে যায় না। ফলে মনে থাকার পরিবর্তে স্মৃতিধারন ক্ষমতা অনেক কমে যায়। এছাড়া প্রযুক্তির এই অতিরিক্ত ব্যাবহার মস্তিস্কের উপর অনেক চাপ ফেলে। তাই প্রতিনিয়ত কারনে অকারনে ছবি তুলে ফেসবুক, টুইটারে তাৎক্ষনিক ছবি আপলোড দিলে বরং কোনো কিছু মনে রাখার ক্ষমতা না বেড়ে কমার সম্ভাবনাই বেশী থাকে।

ক্যামেরায় ছবি ধারন করলে স্মৃতিশক্তি কমেযুক্তরাজ্যের ফেয়ারফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু মনোবিজ্ঞানী এই বিষয়ের উপর গবেষনা চালিয়ে এই সিদ্ধান্ত উপনীত হয়েছে যে, এই সমস্যাটি বিশেষ করে তরুন তরুনী বা ৩০ বছরের কম বয়সের মানুষের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। সমস্যাটি ছবি তোলার সময় হয় না, ক্রমাগত ছবি তুলতে তুলতে একসময় স্মৃতিশক্তির উপর জোড়াল প্রভাব পরে। ফলে আস্তে আস্তে তাদের মনে রাখার ক্ষমতা কমতে থাকে।

 

মডেলঃ লায়লা

পথ-শিশুদের ঈদ

কারোর শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা, আবার কারোর জন্য কেনাকাটাই হতে পারে জীবনের শ্রেঠ্য মুহূর্ত ।

ঈদ মানেই আনন্দ এবং এর তাৎপর্য আমরা উপলব্ধি করতে পারি সেই আনন্দকে সকলের মাঝে ভাগাভাগির মাধ্যমে। ঠিক এমনই একটি আনন্দ হচ্ছে ঈদকে কেন্দ্র করে নতুন পোষাক কেনাকাটা করা এবং বাবা-মা কিংবা পরিবারের ছোটদের উপহার দিয়ে সেই আনন্দ ভাগাভাগি করা। রোজার প্রথম দিন থেকেই আমরা দেখতে পাই রাজধানীর বিভিন্ন শপিং মল গুলোতে ক্রেতাদের ঈদের কেনাকাটার হিড়িক, এবং বর্তমানে রোজার শেষ দিকে চলছে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা। সবাই সবার সাধ্যমত পছন্দের পোষাকটি কিনছে এবং প্রিয়জনদের উপহার দিয়ে তাদের দায়িত্ব শেষ করছে। কিন্তুআসলেই কি দায়িত্ব শেষ হচ্ছে? আমাদের দেশের অলিতে-গলিতে, বাস কিংবা রেল স্টেশনে আথবা পথের আশে-পাশে আমরা যে পথ-শিশুদের দেখতে পাই তারা হয়তো আমাদের প্রিয় মানুষগুলোর তালিকায় কোন এক কারনে থাকতে পারে না। মনে হয় সেই কারনেই আমাদের ঈদের শপিং এর বাজেট কিংবা উপহারের তালিকায় তারা স্থান পায় না। হয়তো আমরা ধরেই নিয়েছি পথ-শিশু মানে ছেড়া-ময়লা জামা-কাপড়ের পথের পাশের কিছুনোংরা মানুষ। যেখানে তথাকথিত কিছু সামাজিক মানুষের সামাজিকতা রক্ষার জন্য এতো সংগ্রাম সেখানেই আমাদের মাঝে এমন কিছুমানুষ রয়েছে যারা আমাদের দারা তখনই উপক্রিত হয় যখন কিনা আমাদের পকেটে 12ভাংতি কিছুপয়সা থাকে !! প্রশ্ন জাগে সেইসব সামাজিক জীবগুলোর প্রতি, পথ-শিশুদের কি আপনারা সমাজের বাইরের অংশ বলেই ধরে নিয়েছেন? আমরা কি ভেবে দেখেছি আমাদের কিনে দেওয়া ঈদের পোষাক তাদের এই বস্তাপচা জীবনের সাদাকালো ঈদকে কতটা রঙ্গিন করতে পারে? আমরা কি পারি না অন্তত একটা দিনের জন্য হলেও তাদের জন্য কিছুকরতে? আমরা অনেকেই হয়ত ঈদের কেনা পোষাকটি একটা দিনের জন্য পরি, কিন্তুআমাদের কিনে দেওয়া একটি পোষাক দিয়ে তাদের বেশ কয়েকটা ঈদ আনন্দের সাথে কেটে যাবে।

আনন্দের বিষয় হচ্ছে এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে দেখা যাচ্ছে স্কুল, কলেজ, এবং ইউনিভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রিরা ব্যক্তিগত ভাবে কিংবা বিভিন্ন ইভেন্টের মাধ্যমে পথ-শিশুদের জন্য বিভিন্ন কারজক্রম করে যাচ্ছে। যা কিনা শুধুমাত্র “লাইক”, “কমেণ্ট” কিংবা “শেয়ার” এর মাঝেই সিমিত নয় বরং আক্ষরিক অরথেই তারা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। কেউ হয়তো তাদের জন্য ইফতারের আয়োজন করছে, কেউ হয়তো কেবল আর্থিক ভাবে সাহায্য করছে, এবং কেউ হয়তবা তাদের জন্য ঈদের পোষাক কিনে দিচ্ছে। আসলেই তাদের জন্য সম্মান এবং দোয়া মনের অজান্তেই চলে আসে। হয়তো প্রশ্ন আসতে পারে, হাজারো পথ-শিশুথাকতে একজন /দু’জনকে ঈদের পোষাক কিনে দিলেই কি হবে? জবাবে শুধুএটাই বলতে চাই, ১৬ কোটি মানুষের এই দেশে যদি সবাই অন্তত নিজ মানবিক দায়িত্বটুকুই পালন করতাম তাহলে হয়তো “পথ-শিশু” নামক এই শব্দটি আমাদের কাছে অপরিচিতই রয়ে যেত।

প্রশ্ন আসে লাভ-লোকসানের, কি লাভ এত কিছুকরে, এত সময়ই বা কোথায়? গুরুত্বপূর্ণ (??) এই প্রশ্নের উত্তরে এতটুকুই বলতে পারি, সময়ের অজুহাতে নিজ দায়িত্বের অবহেলা না করে আপনি বরং আপনার ইচ্ছা শক্তির দিকে নজর দিন, লাভ-লোকসানের হিসেব আপনি নিজেই কষতে পারবেন। ভাগ্যবান মনে হয় নিজেকে পথ-শিশুদের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে এমন কিছুবড়ভাই এবং বন্ধুদের সংস্পর্শে আসতে পেরে। ৯টা ৫টা অফিস এবং সান্ধকালীন ক্লাসেরও ছকে-বাধা এই জীবনের মাঝেও তাদের এই মহত কাজটি চালিয়ে যাওয়া আসলেই প্রশংসার দাবিদার। এমনই কিছ মানুষের কাজের অভিজ্ঞতার বরননা শুনে আমার উপলবধি, “ নিজের জন্য নয়, পরের জন্য কিছুকরতে পারার অনুভুতি আশলেই সবকিছুর উর্ধ্বে।

তেমনি এক বড় ভাইয়ের বর্ণনা মতে “যখন পথ-শিশুদের হাতে নতুন একটা জামা তুলে দেই, তখন তাদের আনন্দ দেখে মনে যে শান্তি,খুশি কিংবা আনন্দের সৃষ্টি হয়, তা হয়তো সরাসরি ঈশ্বর প্রদত্ত। যেটা কোটি টাকার বিনিময়েও কেউ পাবে না”। তার ভরা কন্ঠ এবং ছলছল চোখই বলে দেয় তার আনন্দের পরিমান, এবং হয়তো এটাই প্রক্রিত আনন্দ। আসুন না আমরাও পথ-শিশুদের জন্য কিছুকরি। তাদের জন্য সামান্য খরচে হয়তো আমাদের তেমন কোন ক্ষতি হবে না, কিন্তুবেশ কিছুপথ শিশুর মুখে হাশি ফুটবে। চাদ রাতে আতশবাজি না ফুটিয়ে এখন থেকে না হয় তাদের মুখে হাশি ফুটালাম !!!

লেখক: সাইম খান

ছেলেদের যে পাঁচটি বদঅভ্যাস মেয়েরা কখনই পছন্দ করে না

অনিক আবার প্রতিবারের মত মিথিলাকে একগাদা মিথ্যা কথা বলে গেলো। মিথিলা চুপ করে শুনে গেলেও মুখে কিছু বলল না। কারণ সে নিজে কাল অনিককে শপিং মলে একটা মেয়ের সাথে দেখেছে। কিন্তু সে এখন বলছে যে কাল এই সময় সে অফিসে ছিল। মিথিলা দেখে যেতে চায় যে সে নাটকটা কতদূর এগিয়ে যেতে পারে। এমন নয় যে অনিক মিথিলাকে ভালবাসে না অথবা সে অন্য কারও প্রতি আকৃষ্ট। হতে পারে সেই মেয়েটি হয়ত অনিকের বন্ধু, কাজিন অথবা অফিসের কাজের কেউ। কিন্তু কোনো একটা কারনে সে মিথিলাকে সত্যি কথা বলতে পারে না। হয়ত সে মনে করে সত্যি বললে সে অনিককে ছেড়ে চলে যাবে,ঝগড়া করবে অথবা শুধুমাত্র অভ্যাস বশতই সে ক্রমাগত মিথ্যা বলে যায়। মিথিলা যে অনিকের এই জিনিসগুলো জানে না তা নয়। কিন্তু সে চায় যে অনিক সব সময় তার কাছে সত্যি কথা বলুক। তাদের মধ্যে সম্পর্কটাও যেন বিশ্বাসের হয়। কারণ প্রথম থেকেই যে সোজা সাপটা কথা বলা ছেলেই পছন্দ করে। তাই তার এই মিথ্যা কথার প্রতিবাদ না করে দেখছে ও আর কি কি বলতে পারে। হয়ত একসময় মিথ্যা বলার এই বদ অভ্যাসগুলো তাদের সম্পর্ককে নষ্ট করতে যথেষ্ট। মিথ্যা বলা ছাড়াও ছেলেদের আরও অনেক বদ অভ্যাস আছে যেগুলো মেয়েরা পছন্দ করে না। ছেলেদের এইসব বদ অভ্যাস গুলোর জন্য হয়ত তাদের সুন্দর সম্পর্কটা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আবার হয়ত কোন সম্পর্ক শুরু হওয়ার আগেও শেষ হয়ে যেতে পারে। তাই আজ আমরা ছেলের কিছু বদ অভ্যাস তুলে ধরব যেগুলো মেয়েরা একদমই পছন্দ করে না।

ছেলেদের যে পাচটি বদঅভ্যাস মেয়েরা কখনই পছন্দ করে নামিথ্যা বলাঃ
মেয়েরা কখনোই মিথ্যা বলা পছন্দ করে না। বিশেষ করে যখন সম্পর্কটা অনেক বেশী গভীর হয় তখন তো একদমই নয়। কারণ ছেলেরা মিথ্যা বললে তার ভালবাসার মানুষটি কিভাবে যেনো বুঝে যায়। আর বুঝতে না পারলেও তার মাঝে একটু সন্দেহ তো অবশ্যই তৈরী হয়। এর একটু একটু সন্দেহ থেকে বড় বড় সমস্যা আর তারপর ছাড়াছাড়ি। তাই যেকনো পরিস্থিতিতে আপনার সঙ্গীটিকে সত্যিটা বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করুন। এতে সাময়িকভাবে যদি সে রাগও করে তবুও আপনার জন্য তার মনে একটা ভালো ধারণা তৈরী হবে।

নিজের ভুল স্বীকার না করাঃ
বেশীরভাগ ছেলেরাই কখনো নিজের ভুল স্বীকার করতে চায় না। সেটা যত ছোটই হোক বা বড়। তারা নিজেদের দোষ সবসময় মেয়েটার ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে চায় অথবা যুক্তি দিয়ে সেটাকে ভুল প্রমানিত করতে চায়। আর ছেলেদের এই ধরনের তর্কগুলো মেয়েরা কখনোই পছন্দ করে না। তাই সম্পর্কের ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের ভুল হলে সেটা স্বীকার করে নেওয়াই যথাযথ কাজ।

সব কাজে কৈফিয়ত চাওয়াঃ
যেকোন একটা সম্পর্কের ক্ষেত্রে একজনের উপর আরেকজনের কিছু অধিকার তৈরী হয়েই যায়। তাই বলে সব ক্ষেত্রেই মেয়েদের এই জন্য জবাবদিহি করতে হবে তা তো নয়। যেমন বান্ধবীদের সাথে কোথাও ঘুরতে গেলে কেনো দেরী হল, কোথায় ছিল, কার সাথে গল্প করল এই ধরনের জেরা মেয়েরা কখনোই পছন্দ করে নয়া। বরং এক সময় এই প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে তারা সম্পর্কের উপর আগ্রহই হারিয়ে ফেলে। তাই সম্পর্কের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বাধাধরা নিয়ম তৈরী না করাটাই ভালো।

নাক ডাকাঃ
ছেলেদের নাক ডাকার বদ অভ্যাস কোনো মেয়েই পছন্দ করে না। কারণ এক তো নাক ডাকলে ঘুমে অনেক সমস্যা হয়, তার উপর মেজাজও অনেক খারাপ হয়ে যায়। তাই ঘুমানোর সময় এইদিকে অনেক খেয়াল রাখা উচিত।

অযথা রাগ করাঃ
ছেলেদের একটা মহা সমস্যা হচ্ছে তারা যখন তখন রেগে যায়। যেকনো সমস্যার ক্ষেত্রেই তারা কথা সম্পুর্ন না শুনে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে। অনেক সময় মানুষের সামনে তারা এটা নিয়ে অযথা বাজে পরিস্থিতিও তৈরী করে তোলে। মেয়েরা ছেলেদের এই বদ অভ্যাসটি কখনোই পছন্দ করে না।

 

মডেলঃ লায়লা ও আযবি

ছবিঃ রিফ্লেকশন মিডিয়া

ইন্টারভিউতে কি ধরনের পোশাক পরবেন

ইন্টারভিউতে কি ধরনের পোশাক পরবেন

আজকাল ইন্টারভিউতে পড়াশুনার পাশাপাশি আপনি কি ধরনের পোশাক পরে আছেন তার দিকেও নজর দেওয়া হয়। কেননা আপনার বাক্তিত্ত প্রকাশ পায় অনেক সময় আপনার পোশাকের উপর। আপনাকে কতটা স্মার্ট লাগে অন্য সবার থেকে সেটার উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। কেরিয়ার ম্যানেজমেন্ট কোম্পানী দ্বারা একটি জাতীয় জরিপ অনুযায়ী ল্যাডারস  নিয়োগকারীদের ৩৭% তারা কি ধরনের পোশাক পরে আসবে সেটা তারা তাদের সি ভি তে উল্লেখ করে থাকেন।- যাতে আপনি আপনার শক্তি সম্পর্কে চিন্তা করেন একবার, আপনার দুর্বলতা এবং ‘একটি সময় যদি আপনি একটি চ্যালেঞ্জ ‘পরাস্ত করতে বার্থ হন আপনার দল পরিকল্পনা ভুলবেন না.

ইন্টারভিউতে কি ধরনের পোশাক পরবেনস্মার্ট কৎাজুয়ালঃ অনেক শিল্প খাতে প্রায়ই এমনকি কোন কোম্পানি তে  পোষাক কোড সম্বন্ধে আরও নমনীয় হয়ে উঠছে. নিয়োগ পরামর্শদাতা  অনলাইন “স্মার্ট নৈমিত্তিক চেহারা আপনার একটি পেশাদারী ইমেজ তৈরি করা ছাড়া তা দেখানোর জন্য আপনার নিজের ব্যক্তিত্ব এবং আপনার চেহারা আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে পারে। আপনি এখনও স্মার্ট না তা দেখাতে হলে আপনার নিজেকে একটু পরিবর্তন করতে হবে. বুট অথবা ট্রাউজার্ আপনি যেটাই পরেন না কেন তা যদি হয় আপনার শরীর অনুযায়ী ফিটিং তাহলে আপনাকে অন্য সবার থেকে অনেক বেশি আলাদা লাগবে। আরও একটি সাধারণ উপায় হচ্ছে যদি আপনি সাদা সার্ট পরে যান। সাদা সার্টে আপনাকে সিম্পল দেখালেও খারাপ লাগবেনা। তাছাড়া আপনি যদি শাড়ি অথবা সুন্দর কোন থ্রী পিস পরে যান যেটাতে আপনি আরামদায়ক মনে করবেন সেই ধরনের পোশাক পরে যেতে পারবেন। এমন কোন ধরনের পোশাক পরবেন না যেটাতে আপনি আরামদাওক মনে করবেন না। আপনি অবশ্যই এমন কোন ধরনের কালাররের পোশাক পরবেন না যেটাতে আপনাকে মানায় না।

স্যুট কিনতে পারেনঃ স্যুট অনেক গুর্তপুরন যদি আপনি এটাকে প্রফেশন হিসেবে নিয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই এই ধরনের পোশাক নিয়ম মেনে পরতে হবে আর তাছাড়া আপনি ইন্টারভিউয়ের ক্ষেত্রে স্যুট পরে যেতে পারেন। ভালো স্যুট কিনার ক্ষেত্রে অবশ্যই কাপড় দেখে কিনবেন কেননা আপনি এটা যাতে অনেক দিন ব্যাবহার করতে পারেন। আর স্যুট পরার সময় যদি সব কিছু যদি একটু মিলিয়ে পরতে পারেন তাহলে আর বেশি সুন্দর দেখাবে। আপনি ভালো ব্র্যান্ডের দোকান থেকে স্যুট কিনতে পারেন তাহলে এটা অনেক দিন পজন্ত যাবে। স্যুটের কালার অনেক সময় গুরতপুরন হয়ে উঠে কারন এটা আপনার বাক্তিতের উপর নির্ভর করে।  আপনি কালো, সাদা, ব্লু আরও বিভিন্ন কালার ব্যাবহার করতে পারেন। চেষ্টা করবেন সুটটা যাতে শরীর অনুযায়ী ফিটিং হয় তাহলে দেখতে অনেক বেশি স্মার্ট লাগবে। শাড়ি পরলে অবশ্যই সুন্দর করে পরবেন যাতে দেখতে ভাল লাগে। আর তাছাড়া এমন কোন ধরনের মেকআপ ব্যাবহার করবেন না যাতে করে আপনাকে অসুন্দর না দেখায়। সবচেয়ে ভালো হবে যদি আপনি সিম্পল মেকআপ দিন সেটা দেখতে অনেক বেশি ভালো লাগবে। আর চেষ্টা করবেন অল্প গহনা পরবেন যেটা মানাসই।

এইগুলো যদি আপনি  মেনটেইন করতে পারেন তাহলে আপনি অন্য সবার থেকে যেমন আলাদা হবেন তেমনি এটা আপনার ইন্টারভিউকে ফুটিয়ে তুলবে।